Ads

জুলাই গণহত্যা : শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের আদেশ ১০ জুলাই

জুলাই গণহত্যা : শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের আদেশ ১০ জুলাই
ছবি সংগৃহীত।


জুলাই-আগস্টে গণহত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় পলাতক সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল ও সাবেক পুলিশ প্রধান (আইজিপি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের বিষয়ে আগামী ১০ জুলাই আদেশ দেবেন ট্রাইব্যুনাল।


সোমবার (৭ জুলাই) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তুজা মজুমদারের নেতৃত্বে তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনাল-১ আদেশের জন্য এদিন ধার্য করেন।

আদালতে পলাতক সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের পক্ষে শুনানি করেন রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী আমির হোসেন।


এর আগে জুলাই-আগস্টে গণহত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় পলাতক সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল ও সাবেক পুলিশ প্রধান চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের শুনানির জন্য ১ জুলাই দিন নির্ধারণ করেন ট্রাইব্যুনাল।


আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তুজা মজুমদারের নেতৃত্বে তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনাল এ আদেশ দেন।

গত ১৬ জুন শেখ হাসিনা ও খান আসাদুজ্জামান খান কামালকে এক সপ্তাহের মধ্যে হাজির হতে দুটি পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দেন ট্রাইব্যুনাল এবং ২৪ জুন এই মামলার পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করা হয়। পরদিন ১৭ জুন শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খান কামালকে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দিয়ে নোটিশ জারি করে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। পত্রিকায় এই বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের ৭ দিনের মধ্যে হাজির না হলে তাদের অনুপস্থিতিতে বিচারকাজ চলবে।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তুজা মজুমদারের নেতৃত্বে তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনাল এ আদেশ দেন। মামলার আরেক আসামি সাবেক পুলিশ প্রধান চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন ট্রাইব্যুনালে হাজির ছিলেন। আদালতে প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম।

গত ১ জুন শেখ হাসিনাসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে ৫টি অভিযোগ আমলে নেয় ট্রাইব্যুনাল। মামলার অপর দুই আসামি হলেন আসাদুজ্জামান খান কামাল এবং সাবেক পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী মামুন। একইসঙ্গে এই মামলায় শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান কামালের বিরুদ্ধে নতুন করে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়।

সেদিন আদালতে শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ পড়ে শোনান চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম, প্রসিকিউটর আব্দুস সোবহান তরফদার, মিজানুল ইসলাম। যা সব গণমাধ্যমে সম্প্রচার করা যায়।

এর আগে মানবতা বিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে প্রধান অভিযুক্ত করে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করা হয়।

গত ১২ মে জুলাই-আগস্টের গণহত্যার ঘটনায় শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন তদন্ত সংস্থার কর্মকর্তারা। তদন্ত প্রতিবেদনে জুলাই গণহত্যার নির্দেশদাতা হিসেবে শেখ হাসিনার নাম উঠে এসেছে।

গত ১৮ ফেব্রুয়ারি জুলাই-আগস্টের গণহত্যার ঘটনায় শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে তদন্ত ২০ এপ্রিলের মধ্যে শেষ করতে নির্দেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তুজা মজুমদারের নেতৃত্বে তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনাল এ আদেশ দেন। প্রসিকিউশনের সময় আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত এ আদেশ দেন। ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন অতিরিক্ত চিফ প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম।

গত বছরের ১৭ ডিসেম্বর দুই মামলায় শেখ হাসিনা, ওবায়দুল কাদেরসহ ৪৬ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত দুই মাসের মধ্যে শেষ করার নির্দেশ দেন ট্রাইব্যুনাল।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে নিরস্ত্র ছাত্র-জনতার ওপর গুলি, হত্যার নির্দেশদাতা ও পরিকল্পনাকারী হিসেবে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচার চলছে। ছাত্র-জনতার আন্দোলন ঠেকাতে আওয়ামী লীগ সরকার নির্বিচারে হত্যা চালায়। প্রায় দেড় হাজার মানুষ প্রাণ হারায় এই আন্দোলনে।




Ads

যেখানে সংকট সেখানেই ভরসা সেনাবাহিনী

যেখানে সংকট সেখানেই ভরসা সেনাবাহিনী
ছবি সংগৃহীত।

ফ্যাসিস্টদের বিরুদ্ধে ছাত্র-জনতা যখন বুক পেতে দিয়েছিল তখন সেনাবাহিনীই ছিল একমাত্র ভরসা। বিগত ১১ মাসে দেশের শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশসহ অন্যান্য বাহিনী যখন অসহায় তখন দায়িত্ব কাঁধে তুলে নেয় সেনাবাহিনী। দীর্ঘ সময় ব্যারাকের বাইরে থেকে দেশসেবায় আত্মনিবেদিত আমাদের সশস্ত্র বাহিনী। গতকাল গোপালগঞ্জে যে বর্বরোচিত ঘটনা ঘটল তাতে আবারও প্রমাণ হলো সংকটে সেনাবাহিনীই ভরসা। জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতা সারজিস আলম, হাসনাত আবদুল্লাহ ও আখতার হোসেন সংঘাতময় পরিস্থিতিতে সেনাবাহিনীর সাঁজোয়া যানে (এপিসি) করে গোপালগঞ্জ ছাড়েন। প্রথমে তাঁরা জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে অবস্থান নেন। সেখান থেকে সেনাবাহিনী তাদের উদ্ধার করে নিরাপদে গোপালগঞ্জ ছাড়ার ব্যবস্থা করেন। তার আগে সেখানে এনসিপির সমাবেশে জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে লাঠিসোঁটা নিয়ে হামলা চালালে পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে সেনাবাহিনীর সদস্যরা সাউন্ড গ্রেনেড ও ফাঁকা গুলি ছুড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেন।

সংকটে সহায়তার জন্য সেনাবাহিনীর এই ভূমিকার উদাহরণ অনেক। গত বছর ২৫ আগস্ট সচিবালয়ে হাসনাত আবদুল্লাহসহ ৫০ জন শিক্ষার্থী আন্দোলনরত আনসার সদস্যদের হামলার শিকার হন। সে সময়ও সেনাবাহিনী তাদের উদ্ধারে এগিয়ে যায়। হাসনাত আবদুল্লাহসহ গুরুতর আহত শিক্ষার্থীদের ঢাকার সিএমএইচে ভর্তির ব্যবস্থা করে। কিন্তু দেড় মাস আগেও এনসিপির মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলম সেনাবাহিনীর অবস্থান ও কার্যক্রম নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। রংপুরে জাতীয় পার্টির নেতা জি এম কাদেরের বাড়িতে হামলা প্রসঙ্গে তিনি লেখেন, পুরোনো বাইক আর সামান্য আগুন নিয়ে যাদের এত চিন্তা তারা বিগত ৯ মাসে আওয়ামী সন্ত্রাসী খুনিদের ধরতে কয়টা অভিযান চালিয়েছে? কতজনকে গ্রেপ্তার করেছে?

 

সেনাবাহিনীকে নিয়ে বিশেষ মহলের এমন প্রশ্নের ঘটনা ওই একটিই নয়। এনসিপির আরেক নেতা হাসনাত আবদুল্লাহ গত মার্চে নিজের ফেসবুকে সেনাপ্রধানকে ইঙ্গিত করে বিভ্রান্তিকর মন্তব্য করেন। বিষয়টি তাঁর নিজের দলকেই অস্বস্তিতে ফেলে দেয়। এনসিপির আরেক নেতা নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী হাসনাতের ওই ফেসবুক স্ট্যাটাস শিষ্টাচারবর্জিতহয়েছে বলে এক দিন পর মন্তব্য করেন। হাসনাত আবদুল্লাহর পোস্টের কাছাকাছি সময়ে অন্তর্র্বর্তী সরকারের স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়াও সেনাপ্রধানকে নিয়ে বিরূপ মন্তব্য করেন। তবে সেনাবাহিনী এসব বিষয়ে তেমন প্রতিক্রিয়া দেখায়নি। হাসনাত আবদুল্লাহর শিষ্টাচারবর্জিত মন্তব্যের বিষয়ে সেনাসদরের বক্তব্য হিসেবে সুইডেনভিত্তিক একটি সংবাদমাধ্যম নেত্রনিউজ জানায়, হাসনাতের বক্তব্য অত্যন্ত হাস্যকর ও অপরিপক্ব গল্পের সম্ভার

৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে শেখ হাসিনার ফ্যাসিবাদী সরকারের পতনের পর সেনাপ্রধান বিভিন্ন অনুষ্ঠানে দেশ গঠনে, দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির পক্ষে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়ে আসছেন। সংবাদমাধ্যমে বলেছেন, আ যেখানে সংকট সেখানেই ভরসা সেনাবাহিনী
বিশেষ প্রতিনিধি
প্রিন্ট ভার্সন
যেখানে সংকট সেখানেই ভরসা সেনাবাহিনী

ফ্যাসিস্টদের বিরুদ্ধে ছাত্র-জনতা যখন বুক পেতে দিয়েছিল তখন সেনাবাহিনীই ছিল একমাত্র ভরসা। বিগত ১১ মাসে দেশের শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশসহ অন্যান্য বাহিনী যখন অসহায় তখন দায়িত্ব কাঁধে তুলে নেয় সেনাবাহিনী। দীর্ঘ সময় ব্যারাকের বাইরে থেকে দেশসেবায় আত্মনিবেদিত আমাদের সশস্ত্র বাহিনী। গতকাল গোপালগঞ্জে যে বর্বরোচিত ঘটনা ঘটল তাতে আবারও প্রমাণ হলো সংকটে সেনাবাহিনীই ভরসা। জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতা সারজিস আলম, হাসনাত আবদুল্লাহ ও আখতার হোসেন সংঘাতময় পরিস্থিতিতে সেনাবাহিনীর সাঁজোয়া যানে (এপিসি) করে গোপালগঞ্জ ছাড়েন। প্রথমে তাঁরা জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে অবস্থান নেন। সেখান থেকে সেনাবাহিনী তাদের উদ্ধার করে নিরাপদে গোপালগঞ্জ ছাড়ার ব্যবস্থা করেন। তার আগে সেখানে এনসিপির সমাবেশে জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে লাঠিসোঁটা নিয়ে হামলা চালালে পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে সেনাবাহিনীর সদস্যরা সাউন্ড গ্রেনেড ও ফাঁকা গুলি ছুড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেন।

সংকটে সহায়তার জন্য সেনাবাহিনীর এই ভূমিকার উদাহরণ অনেক। গত বছর ২৫ আগস্ট সচিবালয়ে হাসনাত আবদুল্লাহসহ ৫০ জন শিক্ষার্থী আন্দোলনরত আনসার সদস্যদের হামলার শিকার হন। সে সময়ও সেনাবাহিনী তাদের উদ্ধারে এগিয়ে যায়। হাসনাত আবদুল্লাহসহ গুরুতর আহত শিক্ষার্থীদের ঢাকার সিএমএইচে ভর্তির ব্যবস্থা করে। কিন্তু দেড় মাস আগেও এনসিপির মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলম সেনাবাহিনীর অবস্থান ও কার্যক্রম নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। রংপুরে জাতীয় পার্টির নেতা জি এম কাদেরের বাড়িতে হামলা প্রসঙ্গে তিনি লেখেন, ‘পুরোনো বাইক আর সামান্য আগুন নিয়ে যাদের এত চিন্তা তারা বিগত ৯ মাসে আওয়ামী সন্ত্রাসী খুনিদের ধরতে কয়টা অভিযান চালিয়েছে? কতজনকে গ্রেপ্তার করেছে?’

সেনাবাহিনীকে নিয়ে বিশেষ মহলের এমন প্রশ্নের ঘটনা ওই একটিই নয়। এনসিপির আরেক নেতা হাসনাত আবদুল্লাহ গত মার্চে নিজের ফেসবুকে সেনাপ্রধানকে ইঙ্গিত করে বিভ্রান্তিকর মন্তব্য করেন। বিষয়টি তাঁর নিজের দলকেই অস্বস্তিতে ফেলে দেয়। এনসিপির আরেক নেতা নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী হাসনাতের ওই ফেসবুক স্ট্যাটাস ‘শিষ্টাচারবর্জিত’ হয়েছে বলে এক দিন পর মন্তব্য করেন। হাসনাত আবদুল্লাহর পোস্টের কাছাকাছি সময়ে অন্তর্র্বর্তী সরকারের স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়াও সেনাপ্রধানকে নিয়ে বিরূপ মন্তব্য করেন। তবে সেনাবাহিনী এসব বিষয়ে তেমন প্রতিক্রিয়া দেখায়নি। হাসনাত আবদুল্লাহর শিষ্টাচারবর্জিত মন্তব্যের বিষয়ে সেনাসদরের বক্তব্য হিসেবে সুইডেনভিত্তিক একটি সংবাদমাধ্যম নেত্রনিউজ জানায়, ‘হাসনাতের বক্তব্য অত্যন্ত হাস্যকর ও অপরিপক্ব গল্পের সম্ভার’।

৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে শেখ হাসিনার ফ্যাসিবাদী সরকারের পতনের পর সেনাপ্রধান বিভিন্ন অনুষ্ঠানে দেশ গঠনে, দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির পক্ষে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়ে আসছেন। সংবাদমাধ্যমে বলেছেন, আমি সেনাবাহিনীকে রাজনৈতিক পরিমণ্ডলে হস্তক্ষেপ করতে দেব না- এটা আমার স্পষ্ট অঙ্গীকার। অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টাও চব্বিশের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান এবং পরবর্তী সময়ে দেশসেবায় সেনাবাহিনীর ভূমিকার ব্যাপক প্রশংসা করেন। গত ৬ অক্টোবর সেনাবাহিনীর সদর দপ্তরে ‘সেনা সদর নির্বাচনি পর্ষদ ২০২৪’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, ‘দেশের ক্রান্তিলগ্নে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী মানুষের পাশে এসে দাঁড়িয়েছে এবং একটি অন্তর্র্বর্তী সরকার গঠনের প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করে দেশকে এক অস্থিতিশীল পরিস্থিতির হাত থেকে রক্ষা করেছে। ফলে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী আবারও দেশের মানুষের কাছে আস্থার প্রতীক হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করেছে।’মি সেনাবাহিনীকে রাজনৈতিক পরিমণ্ডলে হস্তক্ষেপ করতে দেব না- এটা আমার স্পষ্ট অঙ্গীকার। অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টাও চব্বিশের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান এবং পরবর্তী সময়ে দেশসেবায় সেনাবাহিনীর ভূমিকার ব্যাপক প্রশংসা করেন। গত ৬ অক্টোবর সেনাবাহিনীর সদর দপ্তরে সেনা সদর নির্বাচনি পর্ষদ ২০২৪-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, দেশের ক্রান্তিলগ্নে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী মানুষের পাশে এসে দাঁড়িয়েছে এবং একটি অন্তর্র্বর্তী সরকার গঠনের প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করে দেশকে এক অস্থিতিশীল পরিস্থিতির হাত থেকে রক্ষা করেছে। ফলে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী আবারও দেশের মানুষের কাছে আস্থার প্রতীক হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করেছে।




Ads

পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ, গোপালগঞ্জে ১৪৪ ধারা জারি

পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ, গোপালগঞ্জে ১৪৪ ধারা জারি
গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি


পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ, গোপালগঞ্জে ১৪৪ ধারা জারি
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সমাবেশ ঘিরে রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে গোপালগঞ্জ। সেখানে সমাবেশ শেষে মাদারীপুর যাওয়ার পথে আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের হামলার শিকার হয়েছে এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতাদের গাড়িবহর।


এরপর পুলিশ ও আওয়ামী লীগ-ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। শেষ খবর পর্যন্ত এই সংঘর্ষ চলছিল। এ অবস্থায় জেলা শহরে ১৪৪ ধারা জারি করেছে গোপালগঞ্জ জেলা প্রশাসন।

বুধবার (১৬ জুলাই) বেলা সাড়ে ৩টার দিকে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন গোপালগঞ্জ জেলা প্রশাসক মুহম্মদ কামরুজ্জামান। 




Ads

‘জুলাই শহীদ দিবস’ উপলক্ষ্যে আজ রাষ্ট্রীয় শোক

‘জুলাই শহীদ দিবস’ উপলক্ষ্যে আজ রাষ্ট্রীয় শোক
ছবি সংগৃহীত।


‘জুলাই শহীদ দিবস’ উপলক্ষ্যে আজ রাষ্ট্রীয়ভাবে শোক পালন করা হবে। কোটাবিরোধী আন্দোলন চলাকালে গত বছরের ১৬ জুলাই রংপুরে পুলিশের গুলিতে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আবু সাঈদ শহীদ হন। এ দিনটিকে সরকার ‘জুলাই শহীদ দিবস’ ঘোষণা করেছে


দিবসটি উপলক্ষ্যে বুধবার (১৬ জুলাই) রাষ্ট্রীয়ভাবে শোক পালনের সিদ্ধান্ত জানিয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে গত ২ জুলাই প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের উপসচিব তানিয়া আফরোজ স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, সরকার প্রতি বছর ১৬ জুলাই ‘জুলাই শহীদ দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করেছে এবং ওইদিন ‘জুলাই শহীদ দিবস’ হিসেবে পালনের নিমিত্তে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিবস পালন সংক্রান্ত মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের ২১ অক্টোবর-২০২৪ তারিখের পরিপত্রের ‘খ’ শ্রেণিভুক্ত দিবস হিসেবে অন্তর্ভুক্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।


দিবসটি উপলক্ষ্যে বুধবার বাংলাদেশের সব সরকারি, আধা-সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ সব সরকারি ও বেসরকারি ভবন এবং বিদেশে বাংলাদেশ মিশনে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত থাকবে।


এ ছাড়া শহীদদের রুহের মাগফিরাতের জন্য বুধবার বাংলাদেশের সব মসজিদে বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হবে। অন্যান্য ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে তাদের আত্মার শান্তির জন্য বিশেষ প্রার্থনার আয়োজন করা হবে।



দৈনিক সাম্পান

Latest News

ক্যাটাগরি